শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আমেরিকান আইডল’ বিজয়ী হলেন হান্না হার্পার

জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘আমেরিকান আইডল’-এর ২৪তম সিজনে বিজয়ী হলেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব মিসৌরির ২৫ বছর বয়সী তরুণী হান্না হার্পার। বর্ণাঢ্য গ্র্যান্ড ফিনালেতে সুগভীর এক গসপেল ব্যালাড ‘অ্যাট দ্য ক্রস (লাভ রান রেড)’ গেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন তিনি।

সংগীতশিল্পীর পাশাপাশ হান্না হার্পার একজন দক্ষ গীতিকারও। ন্যাশভিলে বিচারকদের সামনে অডিশনে তিনি গেয়েছিলেন নিজের লেখা গান ‘স্ট্রিং চিজ’। পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন’-এর কঠিন অভিজ্ঞতা থেকে গানটি লিখেছিলেন তিনি। ইউটিউবে তার সেই অডিশন ভিডিওটি ইতোমধ্যে ১০ লাখেরও বেশি ভিউ পেয়েছে।

অডিশনের সেই আবেগঘন মুহূর্ত স্মরণ করে হান্না বিচারকদের বলেছিলেন, ‘সেই সময়টা এমন ছিল যে সবাই আমাকে স্পর্শ করতে চাইত, কিন্তু আমি চাইতাম না কেউ আমাকে ছুঁয়ে দেখুক। আমি নিজের মধ্যেই গুটিয়ে থাকতাম এবং প্রার্থনা করতাম যেন সৃষ্টিকর্তা আমার আত্মাকে শান্ত করেন।’

তিন সন্তানের জননী হান্না জানান, সন্তানের জন্য চিজের প্যাকেট খোলার অতি সাধারণ একটি মুহূর্তই তাকে জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পেতে সাহায্য করেছিল। গানটি শুনে বিচারক প্যানেলে থাকা ক্যারি আন্ডারউড, লায়নেল রিচি এবং লুক ব্রায়ান চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

দুই সন্তানের মা ক্যারি আন্ডারউড আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আমার শোনা অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জীবনঘনিষ্ঠ একটি গান এটি।’ ইতোমধ্যেই তিন সন্তানকে প্রচ্ছদে রেখে ‘স্ট্রিং চিজ’ গানটি একক সংগীত হিসেবে প্রকাশ করেছেন হান্না। বিচারকরা হান্নার গায়কীতে কেসি মাসগ্রেভস, অ্যালিসন ক্রস এমনকি কিংবদন্তি ডলি পার্টনের ছাপ খুঁজে পেয়েছেন।

বর্তমান বিশ্বসংগীতে যখন মর্গান ওয়ালেন বা এলা ল্যাংলির মতো কান্ট্রি তারকারা রাজত্ব করছেন, এমনকি বিয়ন্স বা পোস্ট ম্যালোনও এই ধারার গানে নাম লেখাচ্ছেন, তখন হান্না হার্পারের এই জয় কান্ট্রি মিউজিকের আধিপত্যকে আরও একবার প্রমাণ করল।

Tag :
PhotoCard Icon
Create PhotoCard

‘আমেরিকান আইডল’ বিজয়ী হলেন হান্না হার্পার

আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘আমেরিকান আইডল’-এর ২৪তম সিজনে বিজয়ী হলেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব মিসৌরির ২৫ বছর বয়সী তরুণী হান্না হার্পার। বর্ণাঢ্য গ্র্যান্ড ফিনালেতে সুগভীর এক গসপেল ব্যালাড ‘অ্যাট দ্য ক্রস (লাভ রান রেড)’ গেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন তিনি।

সংগীতশিল্পীর পাশাপাশ হান্না হার্পার একজন দক্ষ গীতিকারও। ন্যাশভিলে বিচারকদের সামনে অডিশনে তিনি গেয়েছিলেন নিজের লেখা গান ‘স্ট্রিং চিজ’। পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন’-এর কঠিন অভিজ্ঞতা থেকে গানটি লিখেছিলেন তিনি। ইউটিউবে তার সেই অডিশন ভিডিওটি ইতোমধ্যে ১০ লাখেরও বেশি ভিউ পেয়েছে।

অডিশনের সেই আবেগঘন মুহূর্ত স্মরণ করে হান্না বিচারকদের বলেছিলেন, ‘সেই সময়টা এমন ছিল যে সবাই আমাকে স্পর্শ করতে চাইত, কিন্তু আমি চাইতাম না কেউ আমাকে ছুঁয়ে দেখুক। আমি নিজের মধ্যেই গুটিয়ে থাকতাম এবং প্রার্থনা করতাম যেন সৃষ্টিকর্তা আমার আত্মাকে শান্ত করেন।’

তিন সন্তানের জননী হান্না জানান, সন্তানের জন্য চিজের প্যাকেট খোলার অতি সাধারণ একটি মুহূর্তই তাকে জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পেতে সাহায্য করেছিল। গানটি শুনে বিচারক প্যানেলে থাকা ক্যারি আন্ডারউড, লায়নেল রিচি এবং লুক ব্রায়ান চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

দুই সন্তানের মা ক্যারি আন্ডারউড আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আমার শোনা অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জীবনঘনিষ্ঠ একটি গান এটি।’ ইতোমধ্যেই তিন সন্তানকে প্রচ্ছদে রেখে ‘স্ট্রিং চিজ’ গানটি একক সংগীত হিসেবে প্রকাশ করেছেন হান্না। বিচারকরা হান্নার গায়কীতে কেসি মাসগ্রেভস, অ্যালিসন ক্রস এমনকি কিংবদন্তি ডলি পার্টনের ছাপ খুঁজে পেয়েছেন।

বর্তমান বিশ্বসংগীতে যখন মর্গান ওয়ালেন বা এলা ল্যাংলির মতো কান্ট্রি তারকারা রাজত্ব করছেন, এমনকি বিয়ন্স বা পোস্ট ম্যালোনও এই ধারার গানে নাম লেখাচ্ছেন, তখন হান্না হার্পারের এই জয় কান্ট্রি মিউজিকের আধিপত্যকে আরও একবার প্রমাণ করল।