শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনের শুরুতেই পাকিস্তানকে জোড়া আঘাত তাসকিনের

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই দারুণ প্রত্যাবর্তন করেছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনের শেষভাগে উইকেটশূন্য থাকা পাকিস্তানকে সকালে জোড়া আঘাতে চাপে ফেলে দিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

রোববার (১৭ মে) দিনের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে পাকিস্তানি ব্যাটারদের চাপে রাখেন তাসকিন ও শরিফুল ইসলাম। সেই চাপ থেকেই দ্রুত আসে সাফল্য। দলীয় ২২ রানে প্রথম ধাক্কা খায় পাকিস্তান।

দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। অফ স্টাম্পের বাইরে ওঠা বলে খোঁচা দিলে উইকেটের পেছনে দারুণ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ৯ রানেই থামতে হয় পাকিস্তানি ওপেনারকে।

এরপর আরেক ওভারে আবারও আঘাত হানেন তাসকিন। এবার তার শিকার আজান আওয়াইজ। দেরিতে সুইং করা বলে ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট লেগে দাঁড়িয়ে থাকা মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন এই ওপেনার। ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

সকালের শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। আগের দিনের শেষ সেশনে ছয় ওভার ব্যাট করে বিনা উইকেটে ২১ রান তুলেছিল সফরকারীরা। তখন বাংলাদেশের বোলাররা উইকেটের আচরণ পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেননি। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই সেই চিত্র বদলে দেন তাসকিন।

এর আগে ম্যাচের প্রথম দিনে ব্যাট হাতে বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। শুরুতে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে একাই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লিটন দাস। তার দুর্দান্ত ১২৬ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান তোলে।

 

Tag :

কালীগঞ্জে ১৬তম বার্ষিক শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন ও লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত

PhotoCard Icon
Create PhotoCard

দিনের শুরুতেই পাকিস্তানকে জোড়া আঘাত তাসকিনের

আপডেট সময় : ১১:২৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই দারুণ প্রত্যাবর্তন করেছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনের শেষভাগে উইকেটশূন্য থাকা পাকিস্তানকে সকালে জোড়া আঘাতে চাপে ফেলে দিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

রোববার (১৭ মে) দিনের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে পাকিস্তানি ব্যাটারদের চাপে রাখেন তাসকিন ও শরিফুল ইসলাম। সেই চাপ থেকেই দ্রুত আসে সাফল্য। দলীয় ২২ রানে প্রথম ধাক্কা খায় পাকিস্তান।

দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। অফ স্টাম্পের বাইরে ওঠা বলে খোঁচা দিলে উইকেটের পেছনে দারুণ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ৯ রানেই থামতে হয় পাকিস্তানি ওপেনারকে।

এরপর আরেক ওভারে আবারও আঘাত হানেন তাসকিন। এবার তার শিকার আজান আওয়াইজ। দেরিতে সুইং করা বলে ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট লেগে দাঁড়িয়ে থাকা মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন এই ওপেনার। ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

সকালের শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। আগের দিনের শেষ সেশনে ছয় ওভার ব্যাট করে বিনা উইকেটে ২১ রান তুলেছিল সফরকারীরা। তখন বাংলাদেশের বোলাররা উইকেটের আচরণ পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেননি। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই সেই চিত্র বদলে দেন তাসকিন।

এর আগে ম্যাচের প্রথম দিনে ব্যাট হাতে বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। শুরুতে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে একাই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লিটন দাস। তার দুর্দান্ত ১২৬ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান তোলে।