আগামী ১ জুলাই নানা উৎসবমুখর কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সভায় দিবসের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টর এবং অফিস প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
গৃহীত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে উপাচার্য ভবন সংলগ্ন ‘স্মৃতি চিরন্তন’ চত্বরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সমবেত হবেন। সেখান থেকে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে। শোভাযাত্রাটি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে গিয়ে শেষ হবে।
এরপর সকাল ১০টায় পায়রা চত্বরে জাতীয় সংগীত ও উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন করা হবে। পরে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে টিএসসি মিলনায়তনে উপাচার্যের সভাপতিত্বে মূল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি বিশেষ স্মরণিকা প্রকাশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশদ্বারে দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণ করা হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এক আহ্বানে বলেন, ‘শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’ একইসঙ্গে তিনি একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনে সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য, ১৯২১ সালের ১ জুলাই ৩টি অনুষদ, ১২টি বিভাগ ও ৬০-এর দশক পর্যন্ত বিস্তৃত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি গৌরবময় ১০৫ বছরে পদার্পণ করছে।

























