শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় উৎসবমুখর পরিবেশ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ১০৪ Time View

মে দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ভিড় জমেছে। দুপুর থেকে লোকজন পরিবার-পরিজন নিয়ে পশু-পাখি দেখতে আসতে শুরু করেন। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

দুপুরে চিড়িয়াখানার মূল ফটকে দেখা যায় টিকিটের জন্য দীর্ঘ সারি। প্রবেশপথেও ছিল ভিড়। আর বাইরে হকারদের চিরচেনা হাঁকডাকে সরগরম এলাকা। টিকিট কেটে ভেতরে প্রবেশের সময় নিরাপত্তাকর্মীরা পলিথিন সামগ্রী বহনে নিষেধাজ্ঞার কথা জানান। ফলে অনেক দর্শনার্থীকে সঙ্গে আনা খাবারের পলিথিন বাইরে রেখে ঢুকতে দেখা যায়।

ভেতরে প্রবেশের পর ফটক-সংলগ্ন হরিণ, পেলিক্যান বা গগনবেড় পাখি ও বানরের খাঁচার সামনে মানুষের জটলা লক্ষ্য করা যায়। কেউ গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে পশু-পাখি দেখছিলেন, আবার কেউ স্মৃতিবন্দী করতে তুলছিলেন ছবি। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের খাঁচার সামনে ছিল শিশুদের ভিড়। অভিভাবকরা সন্তানদের সেই বাঘ দেখিয়ে দিচ্ছিলেন।

কামরাঙ্গীরচর থেকে আসা শাহজাহান তার দুই বছরের মেয়েকে বাঘ দেখাতে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আজ আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। প্রাণীগুলোকে দেখে সতেজ লাগছে। ঘুরে ভালোও লাগছে।’

পাশেই বাঘ শাবকের খাঁচা কাপড় দিয়ে আংশিক ঢেকে রাখা ছিল। কাপড়ের আড়াল থেকেও কয়েকটি শাবক দেখা যাচ্ছিল। তালতলা থেকে আসা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মুনতাহা মাকে কারণ জিজ্ঞেস করলে তার মা জানান, শাবকগুলোকে সুরক্ষিত রাখতেই খাঁচা ঢেকে রাখা হয়েছে।

বসিলার একটি মাদরাসা থেকে দলবেঁধে চিড়িয়াখানায় ঘুরছিল বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের একজন মুরসালিন আমিন বলে, ‘পশুপাখি দেখতে আমার ভালো লাগে। আজ ছুটি পেয়ে কয়েকজন মিলে এসেছি, শিক্ষকও আসবেন।’

Tag :

কালীগঞ্জে ১৬তম বার্ষিক শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন ও লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত

PhotoCard Icon
Create PhotoCard

ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় উৎসবমুখর পরিবেশ

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

মে দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ভিড় জমেছে। দুপুর থেকে লোকজন পরিবার-পরিজন নিয়ে পশু-পাখি দেখতে আসতে শুরু করেন। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

দুপুরে চিড়িয়াখানার মূল ফটকে দেখা যায় টিকিটের জন্য দীর্ঘ সারি। প্রবেশপথেও ছিল ভিড়। আর বাইরে হকারদের চিরচেনা হাঁকডাকে সরগরম এলাকা। টিকিট কেটে ভেতরে প্রবেশের সময় নিরাপত্তাকর্মীরা পলিথিন সামগ্রী বহনে নিষেধাজ্ঞার কথা জানান। ফলে অনেক দর্শনার্থীকে সঙ্গে আনা খাবারের পলিথিন বাইরে রেখে ঢুকতে দেখা যায়।

ভেতরে প্রবেশের পর ফটক-সংলগ্ন হরিণ, পেলিক্যান বা গগনবেড় পাখি ও বানরের খাঁচার সামনে মানুষের জটলা লক্ষ্য করা যায়। কেউ গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে পশু-পাখি দেখছিলেন, আবার কেউ স্মৃতিবন্দী করতে তুলছিলেন ছবি। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের খাঁচার সামনে ছিল শিশুদের ভিড়। অভিভাবকরা সন্তানদের সেই বাঘ দেখিয়ে দিচ্ছিলেন।

কামরাঙ্গীরচর থেকে আসা শাহজাহান তার দুই বছরের মেয়েকে বাঘ দেখাতে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আজ আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। প্রাণীগুলোকে দেখে সতেজ লাগছে। ঘুরে ভালোও লাগছে।’

পাশেই বাঘ শাবকের খাঁচা কাপড় দিয়ে আংশিক ঢেকে রাখা ছিল। কাপড়ের আড়াল থেকেও কয়েকটি শাবক দেখা যাচ্ছিল। তালতলা থেকে আসা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী মুনতাহা মাকে কারণ জিজ্ঞেস করলে তার মা জানান, শাবকগুলোকে সুরক্ষিত রাখতেই খাঁচা ঢেকে রাখা হয়েছে।

বসিলার একটি মাদরাসা থেকে দলবেঁধে চিড়িয়াখানায় ঘুরছিল বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের একজন মুরসালিন আমিন বলে, ‘পশুপাখি দেখতে আমার ভালো লাগে। আজ ছুটি পেয়ে কয়েকজন মিলে এসেছি, শিক্ষকও আসবেন।’