শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে হতাশ হয়ে ফিরলেন চীনা যুবক

মোবাইল অ্যাপে পরিচয়, এরপর দীর্ঘদিনের কথোপকথন- সেই সম্পর্কের টানেই হাজার মাইল দূরের চীন থেকে বাংলাদেশের পিরোজপুরে ছুটে এসেছিলেন এক যুবক। কিন্তু প্রেমিকার বয়স বিয়ের জন্য আইনসম্মত না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছাড়াই তাকে ফিরে যেতে হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নে। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা কাঞ্চন হাওলাদারের মেয়ে সিনথিয়া আক্তার তুবার সঙ্গে পরিচয় হয় চীনা নাগরিক লিয়নের। ভাষা শেখার অ্যাপ হ্যালোটক–এর মাধ্যমে প্রথমে তাদের যোগাযোগ শুরু হয়। পরে নিয়মিত কথাবার্তা চলতে থাকে হোয়াটসঅ্যাপে, যা একসময় প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।

তুবার ভাষ্য অনুযায়ী, লিয়ন একসময় তার গ্রামের ঠিকানা জানতে চেয়েছিলেন। তবে তিনি ধারণাও করেননি যে চীনের ওই যুবক সত্যিই বাংলাদেশে চলে আসবেন। কিন্তু ভালোবাসার টানেই চলতি মাসের ৮ মে লিয়ন ঢাকায় পৌঁছান। পরে ১৪ মে তিনি নাজিরপুরে আসেন।

বিদেশি অতিথির আগমনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ ভিড় করেন তুবার বাড়িতে। স্থানীয়দের অনেকে চীনা যুবককে একনজর দেখতে সেখানে জড়ো হন। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাকে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয় এবং বাঙালি খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

তুবার বাবা কাঞ্চন হাওলাদার জানান, কয়েকদিন ধরেই তাদের সঙ্গে লিয়নের ফোনে যোগাযোগ ছিল। তবে মেয়ের বয়স এখনো বিয়ের উপযুক্ত না হওয়ায় তারা বিয়ের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।

ফিরে যাওয়ার আগে লিয়ন জানান, তিনি বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার টানেই বাংলাদেশে এসেছিলেন। তুবার বয়স পূর্ণ হলে ভবিষ্যতে আবারও বাংলাদেশে আসার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।

Tag :
PhotoCard Icon
Create PhotoCard

প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে হতাশ হয়ে ফিরলেন চীনা যুবক

আপডেট সময় : ০১:১৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মোবাইল অ্যাপে পরিচয়, এরপর দীর্ঘদিনের কথোপকথন- সেই সম্পর্কের টানেই হাজার মাইল দূরের চীন থেকে বাংলাদেশের পিরোজপুরে ছুটে এসেছিলেন এক যুবক। কিন্তু প্রেমিকার বয়স বিয়ের জন্য আইনসম্মত না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছাড়াই তাকে ফিরে যেতে হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে নাজিরপুর উপজেলার কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নে। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা কাঞ্চন হাওলাদারের মেয়ে সিনথিয়া আক্তার তুবার সঙ্গে পরিচয় হয় চীনা নাগরিক লিয়নের। ভাষা শেখার অ্যাপ হ্যালোটক–এর মাধ্যমে প্রথমে তাদের যোগাযোগ শুরু হয়। পরে নিয়মিত কথাবার্তা চলতে থাকে হোয়াটসঅ্যাপে, যা একসময় প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।

তুবার ভাষ্য অনুযায়ী, লিয়ন একসময় তার গ্রামের ঠিকানা জানতে চেয়েছিলেন। তবে তিনি ধারণাও করেননি যে চীনের ওই যুবক সত্যিই বাংলাদেশে চলে আসবেন। কিন্তু ভালোবাসার টানেই চলতি মাসের ৮ মে লিয়ন ঢাকায় পৌঁছান। পরে ১৪ মে তিনি নাজিরপুরে আসেন।

বিদেশি অতিথির আগমনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ ভিড় করেন তুবার বাড়িতে। স্থানীয়দের অনেকে চীনা যুবককে একনজর দেখতে সেখানে জড়ো হন। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাকে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয় এবং বাঙালি খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

তুবার বাবা কাঞ্চন হাওলাদার জানান, কয়েকদিন ধরেই তাদের সঙ্গে লিয়নের ফোনে যোগাযোগ ছিল। তবে মেয়ের বয়স এখনো বিয়ের উপযুক্ত না হওয়ায় তারা বিয়ের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।

ফিরে যাওয়ার আগে লিয়ন জানান, তিনি বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার টানেই বাংলাদেশে এসেছিলেন। তুবার বয়স পূর্ণ হলে ভবিষ্যতে আবারও বাংলাদেশে আসার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।